অবশেষে খুললো বইমেলার দুয়ার

Sara deshSara desh
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৭:৩৩ PM, ১৮ মার্চ ২০২১

মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে এবার অমর একুশে বইমেলা আয়োজন নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভুগতে হয় কর্তৃপক্ষের। এবার আদৌ বইমেলা হবে কি না তা নিয়ে শঙ্কায় ছিলেন লেখক-প্রকাশক ও বইপ্রেমীরা। একটা সময় ভার্চুয়ালি বইমেলা আয়োজনের কথা ওঠে। পরে প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও বাংলা একাডেমি চত্বরে বইমেলা আয়োজনের অনুমতি পায় বাংলা একাডেমি। তবে সিদ্ধান্ত হয়, মেলা পিছিয়ে মার্চে হবে। অবশেষে দুয়ার খুললো প্রতীক্ষিত বইমেলার।

বৃহস্পতিবার (১৮ মার্চ) বিকেলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ‘অমর একুশে গ্রন্থমেলার’ উদ্বোধন ঘোষণা করেন। এ সময় বঙ্গবন্ধু রচিত ও বাংলা একাডেমি প্রকাশিত ‘আমার দেখা নয়াচীনের’ ইংরেজি অনুবাদের মোড়ক উন্মোচন করেন তিনি। এছাড়া ১০ জন সাহিত্যিককে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারও দেয়া হয়।

বইমেলা উদ্বোধনকালে নতুন প্রজন্মকে বই পড়ার অভ্যাস বাড়ানোর পরামর্শ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘ছোটদের বইয়ের প্রতি ঝোঁক বাড়ানো দরকার। আমাদের সময় বাচ্চাদের বই পড়ে শোনানো হতো। এখনও আমরা তা করি। সব সময় ঘরে একটা ছোট লাইব্রেরি করে রাখি। বইয়ের প্রতি ঝোঁক বাড়াতে হবে। পাঠাভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। আমাদের বক্তৃতা বিবৃতিতে মানুষের কাছে যত দ্রুত পৌঁছা যায়, সাহিত্যে আরও আগে পৌঁছা যায়। সাহিত্যের মাধ্যমে ইতিহাস, ভাষা-সংস্কৃতিও জানা যায়।’

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর এই বছরে এবারের বইমেলা মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি উৎসর্গ করা হয়েছে। মেলার মূল ভাবনা ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী’। অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় চার নেতা, ভাষা শহীদ ও মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

 

আপনার মতামত লিখুন :